বিদ্যালয় পরিচিতি
উত্তর দিনাজপুরের অন্যতম প্রাচীন ও সম্মানিত বিদ্যালয়ের গল্প
৯৩ বছরের গৌরবময় ইতিহাস
প্রাক্-স্বাধীন ভারতে শিক্ষাবিদ স্বর্গীয় আনন্দবন্ধু সরকার, যিনি নিজেও এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, ১৯৩১ সালের ৫ মার্চ তাঁর জ্যেষ্ঠা ভগিনী পার্বতী দেবীর নামে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়ের নাম হয় কালিয়াগঞ্জ পার্বতী সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রায় ২৩ বিঘা (প্রায় ৭ একর) জমিতে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি শুরুতেই ছিল মাত্র কয়েকটি বাঁশ ও টিনের ঘর — একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল নতুন প্রজন্মকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসা।
“বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকে সংযুক্ত বিশাল খেলার মাঠ সর্বদা শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলে।”
মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয় হিসেবে পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণি নিয়ে যাত্রা শুরু
উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি — সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি
উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত — কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ
বৃত্তিমূলক শিক্ষা শাখার সূচনা
এসসি ও এসটি ছাত্রদের জন্য নতুন হস্টেল ভবন
শতবর্ষের দোরগোড়ায় এক গর্বিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

স্বর্গীয় আনন্দবন্ধু সরকার
শিক্ষাবিদ ও প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান শিক্ষক
একজন দূরদর্শী শিক্ষাবিদ, যিনি নিজের জমি ও সাধ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন এই প্রতিষ্ঠান। তাঁর স্বপ্ন ছিল — প্রতিটি ঘরে শিক্ষার আলো।
প্রতিষ্ঠা
5 March 1931
ক্যাম্পাস
২৩ বিঘা (≈৭ একর)
বোর্ড
WBBSE · WBCHSE
শ্রেণি
V – XII
যে আদর্শে আমরা বিশ্বাস করি
সততা ও নৈতিকতা
সততা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে ওঠা প্রজন্ম
সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা
প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া
খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে উৎসাহ
খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ
পরিবেশ সচেতনতা
সবুজ ক্যাম্পাস ও পরিবেশবান্ধব অভ্যাস
২৩ বিঘা জুড়ে শিক্ষার পরিবেশ
প্রাচ্যের দিকে সুবিশাল খেলার মাঠ, চারপাশে আধুনিক পাকা ভবন — ২৩ বিঘার এই ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের আদর্শ পরিবেশ।
প্রধান ভবনের করিডোর
বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ
আবাসিক হস্টেল — প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছাত্রদের জন্য আশ্রয় ও শিক্ষার সুযোগ।